Archive | অক্টোবর, 2012

Hello world!

24 অক্টো.

Welcome to WordPress.com! This is your very first post. Click the Edit link to modify or delete it, or start a new post. If you like, use this post to tell readers why you started this blog and what you plan to do with it.

Happy blogging!

ব্রাহ্মণপাড়ায় হারিয়ে যাচ্ছে গরু দিয়ে হাল চাষ

19 অক্টো.
ব্রাহ্মণপাড়ায় হারিয়ে যাচ্ছে গরু দিয়ে হাল চাষ
    গোলা ভরা ধান, পুকুর ভরা মাছ ও গোয়াল ভরা গরু, গ্রাম বাংলার কৃষকদের প্রাচীন ঐতিয্য হলেও বর্তমানে আধুনিকতার ছোয়া ও জনসংখ্যার বৃদ্ধির কারনে, সেই ঐতিহ্য হারিয়ে যাচ্ছে কুমিলৱার ব্রাহ্মণপাড়ায়। জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে কমে যাচ্ছে বসত ভিটিং অংশ, কৃষি জমির পরিমান। ফলে ইচ্ছে থাকলেও গোয়াল ঘরের জায়গার অভাবে সম্ভব হচ্ছেনা গরু পালন। এক সময় গরু ছাড়া কৃষি কাজ অসম্ভব ছিল বিধায় বাধ্য হয়ে কৃষকেরা গরু পালন করতো। এখন আধুনিকতার ছোয়া এবং কৃষি জমির স্বল্পতার কারনে গরু পালন ছেড়ে দিয়েছে

অনেক কৃষক। তারা এখন কৃষি কাজে ব্যবহার করছে যন্ত্রপাতি, পাওয়ার টিলার, ট্রাক্টর, ধান মাড়াই মেশিন, হার্ভেষ্টার, কীটনাশক ছিটানোর মেশিন ও সার প্রয়োগের মেশিন সহ বিভিন্ন ধরনের উন্নত বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি। কিছুদিন পূর্বেও গ্রাম গঞ্জে গরু দিয়ে হালচাষ, ধান মাড়াই ও কৃষিপন্য বহন করা হত। এখন সেই দৃশ্য তেমন একটা চোখে পড়েনা। এখন কৃষক ভোর বেলার পান্তা ভাত, মরিচ পোড়া খেয়ে গরু লাঙ্গল জোয়াল ও মই কাঁধে নিয়ে জমি চাষের উদ্দেশ্যে বের হয়না। মোবাইল ফোনে ট্রাক্টর মালিকের সাথে চুক্তি করে জমি চাষ করে। যুগের পরিবর্তনের ছোয়া লেগেছে কৃষকদের মাঝে। ঢেকি দিয়ে ধান ছাটা চাউলের পরিবর্তে কৃষকরা খাচ্ছে বস্তা ভর্তি মিনিকেট চাউল। পরিশ্রম অনেক কমে যাওয়ায় কৃষক কৃষানীরাও এখন মেদ ভূরি, উচ্চ রক্তচাপ এবং ডায়াবেটির রোগে আক্রান্ত হচ্ছে সচরাচর। গ্রামের আনন্দ ভূলতে বসেছে গ্রামে বেড়াতে আসা শহরের মানুষেরা। কালের বিবর্তনে এখন এসব হারিয়ে যেতে বসেছে গ্রাম বাংলায়। এই নিয়ে ঢাকা থেকে গ্রামে বেড়াতে আসা আলমগীর হোসেন সরকার, সিলেট থেকে আসা লিলমিয়া সরকার সহ উপজেলার পোমকাড়া গ্রামের শরিফ আহাম্মেদ, বেড়াখলা গ্রামের জসিম উদ্দিন জানান, আগের দিনের গ্রামের আনন্দ ছিল অন্য রকম, মানুষের প্রতি মানুষের সহমর্মিতা, ভ্রত্তিত্ববোধ, সরলতা মাখানো ভালবাসা ছিল অঘাত। গ্রামের কথা মনে পড়লেই ছুটে আসার জন্য মনটা ব্যাকুল হয়ে যেতো। আজ আর আগের সেই দৃশ্যপট গ্রামে এসে দেখতে পাইনা। শীতের সকালের কাঁচা রোদে বসে মুড়ি ও খেজুর রস খেতে যে আনন্দ লাগতো সে আনন্দ আর এখন গ্রামে পাইনা। গ্রাম গঞ্জে পাকা বিল্ডিং, গ্রীলের বারান্দায় ইচ্ছে করলেও অনুমতি ছাড়া প্রবেশ করা যায়না। শহর থেকে গ্রামে এসে খাঁলী গায়ে গামছা গলায় দিয়ে এ’বাড়ী ও’বাড়ী ঘুরে চাচা, চাচী ডেকে গাছের তাজা ফল খাওয়া আর হয়ে ওঠে না। কয়েকজন প্রবীন কৃষকের সাথে কথা বলতে গেলে তারা এ’প্রতিনিধিকে জানান, বর্তমানে জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারনে চাষাবাদের জমি ও ভিটি বাড়ীর স্বল্পতার কারনে গর্ব পালন করা সম্ভব হচ্ছে না। কৃষি কাজ লাভজনক না হওয়ায় কৃষি কাজ ছেড়ে দিয়েছি, গো খাদ্যের মূল্য বৃদ্ধি এবং গোচারণ ভূমির স্বল্পতায় ঘরে আর দোয়াল গাই পালন করা হয়না। এভাবেই নানা কারনে হাড়াতে বসেছে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য গরু দিয়ে হাল চাষ।



ব্রাহ্মণপাড়ায় হারিয়ে যাচ্ছে গরু দিয়ে হাল চাষ

19 অক্টো.
ব্রাহ্মণপাড়ায় হারিয়ে যাচ্ছে গরু দিয়ে হাল চাষ
    গোলা ভরা ধান, পুকুর ভরা মাছ ও গোয়াল ভরা গরু, গ্রাম বাংলার কৃষকদের প্রাচীন ঐতিয্য হলেও বর্তমানে আধুনিকতার ছোয়া ও জনসংখ্যার বৃদ্ধির কারনে, সেই ঐতিহ্য হারিয়ে যাচ্ছে কুমিলৱার ব্রাহ্মণপাড়ায়। জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে কমে যাচ্ছে বসত ভিটিং অংশ, কৃষি জমির পরিমান। ফলে ইচ্ছে থাকলেও গোয়াল ঘরের জায়গার অভাবে সম্ভব হচ্ছেনা গরু পালন। এক সময় গরু ছাড়া কৃষি কাজ অসম্ভব ছিল বিধায় বাধ্য হয়ে কৃষকেরা গরু পালন করতো। এখন আধুনিকতার ছোয়া এবং কৃষি জমির স্বল্পতার কারনে গরু পালন ছেড়ে দিয়েছে

অনেক কৃষক। তারা এখন কৃষি কাজে ব্যবহার করছে যন্ত্রপাতি, পাওয়ার টিলার, ট্রাক্টর, ধান মাড়াই মেশিন, হার্ভেষ্টার, কীটনাশক ছিটানোর মেশিন ও সার প্রয়োগের মেশিন সহ বিভিন্ন ধরনের উন্নত বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি। কিছুদিন পূর্বেও গ্রাম গঞ্জে গরু দিয়ে হালচাষ, ধান মাড়াই ও কৃষিপন্য বহন করা হত। এখন সেই দৃশ্য তেমন একটা চোখে পড়েনা। এখন কৃষক ভোর বেলার পান্তা ভাত, মরিচ পোড়া খেয়ে গরু লাঙ্গল জোয়াল ও মই কাঁধে নিয়ে জমি চাষের উদ্দেশ্যে বের হয়না। মোবাইল ফোনে ট্রাক্টর মালিকের সাথে চুক্তি করে জমি চাষ করে। যুগের পরিবর্তনের ছোয়া লেগেছে কৃষকদের মাঝে। ঢেকি দিয়ে ধান ছাটা চাউলের পরিবর্তে কৃষকরা খাচ্ছে বস্তা ভর্তি মিনিকেট চাউল। পরিশ্রম অনেক কমে যাওয়ায় কৃষক কৃষানীরাও এখন মেদ ভূরি, উচ্চ রক্তচাপ এবং ডায়াবেটির রোগে আক্রান্ত হচ্ছে সচরাচর। গ্রামের আনন্দ ভূলতে বসেছে গ্রামে বেড়াতে আসা শহরের মানুষেরা। কালের বিবর্তনে এখন এসব হারিয়ে যেতে বসেছে গ্রাম বাংলায়। এই নিয়ে ঢাকা থেকে গ্রামে বেড়াতে আসা আলমগীর হোসেন সরকার, সিলেট থেকে আসা লিলমিয়া সরকার সহ উপজেলার পোমকাড়া গ্রামের শরিফ আহাম্মেদ, বেড়াখলা গ্রামের জসিম উদ্দিন জানান, আগের দিনের গ্রামের আনন্দ ছিল অন্য রকম, মানুষের প্রতি মানুষের সহমর্মিতা, ভ্রত্তিত্ববোধ, সরলতা মাখানো ভালবাসা ছিল অঘাত। গ্রামের কথা মনে পড়লেই ছুটে আসার জন্য মনটা ব্যাকুল হয়ে যেতো। আজ আর আগের সেই দৃশ্যপট গ্রামে এসে দেখতে পাইনা। শীতের সকালের কাঁচা রোদে বসে মুড়ি ও খেজুর রস খেতে যে আনন্দ লাগতো সে আনন্দ আর এখন গ্রামে পাইনা। গ্রাম গঞ্জে পাকা বিল্ডিং, গ্রীলের বারান্দায় ইচ্ছে করলেও অনুমতি ছাড়া প্রবেশ করা যায়না। শহর থেকে গ্রামে এসে খাঁলী গায়ে গামছা গলায় দিয়ে এ’বাড়ী ও’বাড়ী ঘুরে চাচা, চাচী ডেকে গাছের তাজা ফল খাওয়া আর হয়ে ওঠে না। কয়েকজন প্রবীন কৃষকের সাথে কথা বলতে গেলে তারা এ’প্রতিনিধিকে জানান, বর্তমানে জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারনে চাষাবাদের জমি ও ভিটি বাড়ীর স্বল্পতার কারনে গর্ব পালন করা সম্ভব হচ্ছে না। কৃষি কাজ লাভজনক না হওয়ায় কৃষি কাজ ছেড়ে দিয়েছি, গো খাদ্যের মূল্য বৃদ্ধি এবং গোচারণ ভূমির স্বল্পতায় ঘরে আর দোয়াল গাই পালন করা হয়না। এভাবেই নানা কারনে হাড়াতে বসেছে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য গরু দিয়ে হাল চাষ।